নড়াইলে ক্ষমতার দাপটে স্কুলের সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ,স্কুলের সভাপতি কবির এর বিরুদ্ধে

Uncategorized আইন ও আদালত

মো:রফিকুল ইসলাম,নড়াইলঃ
নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের ২৯নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুটি মূল্যবান গাছ অন্ধকার ভোরে কেটে ঘোড়ার গাড়িতে করে নিয়ে যান,স্কুল কমিটির সভাপতি সৈয়দ শিওন সাইফ কবির।(১৯ এপ্রিল) মঙ্গলবার সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়,নোয়াগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের থেকে একটি বরই গাছ ও একটি কাঁঠাল গাছ কেটে নিয়ে গেছে স্কুল কমিটির সভাপতি কবির,স্থানীয় এলাকার সৈয়দ মনজুর এর ঘোড়ার গাড়িতে করে।এসময় স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা হলে তারা প্রথমে কেউ ভয়ে ক্যামেরার সামনে ওই কমিটির সভাপতির নাম প্রকাশ করতে চান নাই এবং ভয়ে পরিচয় জানাতে অনুচ্ছুক।এসময় স্কুলের সামনের দোকানদার হেমায়েত সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে জানান,সভাপতি কবির লোক দিয়ে গাছ গুলা কেটে নোয়াগ্রামের সৈয়দ মুনজুর এর ঘোড়ার গাড়িতে নিয়ে গেছে তা আমি দেখেছি ওরা খারাপ মানুষ আমি প্রতিবন্ধী কিছু বললে বিপদে পড়বো।এদিকে,নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধীক ব্যক্তী অভিযোগ করে বলেন,ক্ষমতার দাপটে এলাকায় কবির অনেক কিছু করে থাকেন,তার কিছু করার ক্ষমতা কারো নেই,এমন কর্মকান্ড এর আগে অহর অহর করেছে।প্রবাসী মিজান হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি ওই কবির,তাদের সামনে কথা বলে এলাকায় থাকা দুষ্কর তা না হলে কিভাবে স্কুলের গাছ ভোর বেলাতে কেটে নিয়ে গেলো,কেন হত্যা মামলার আসামি হয়েও প্রকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে কিন্তু পুলিশ তাকে আটক করছে না,এটা দেখেই বোঝা যায় তার ক্ষমতা কত বলেও জানান।এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাকির হোসেন এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি দায়সারা ভাবে বলেন,স্কুল বন্ধ ছিলো আমি ছিলাম না,গাছ টাকার ঘটনা শুনেছি স্কুল কমিটিদের বলেছি ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন আরো বলেন,আমি সরকারি চাকরি করি অনেক কিছু দেখেও না দেখার ভান করে থাকতে হয়।গাছ কাটার বিষয়ে শাওন সাইফ কবির এর সাথে কথা বলার জন্য গেলে তিনি গাছ কাটার ঘটনা অস্বীকার করেন এবং সাংবাদিকদের উপর চড়াও হয়ে ওঠেন তখন তার কাছ থেকে কিছু জানার চেষ্টা করলে তিনি উল্টো পাল্টা কথা বলেন,যে গাছ কাটার বিষয়ে আমি থানায় অভিযোগ করেছি কারা গাছ কেটেছে আমি জানিনা বলেও উচ্চস্বরে বলেন।এ বিষয়ে লোহাগড়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃসাইফুজ্জামান খান এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন,আমি গাছ কাটার বিষয়ে জানতে পারছি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছি সুনিদৃষ্ট কাউকে এখনো পায়নি,আপনারা যখন তথ্য দিয়েছেন আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।এবিষয়ে লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী আজগর এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন,গাছ কাটার বিষয়টা খুবই দুঃখজনক তদন্ত করে দোশীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।


বিজ্ঞাপন