কোন অপশক্তির চাপে ফরিদপুরে মুসলিম সহোদর হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠ তদন্ত ও বিচারে টালবাহানা বরদাশত করা হবে না ——– মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ

Uncategorized ঢাকা বিশেষ প্রতিবেদন রাজনীতি সারাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক  : গতকাল  ২৬ এপ্রিল খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ বলেছেন, ফিলিস্তিনের উপর দীর্ঘ ৬ মাস ধরে চলমান ইসরাইলী বর্বরতা বন্ধে জাতিসংঘ, ওআইসি সহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। মুসলিম বিশ্বের নেতৃবৃন্দকে ফিলিস্তিনের নির্যাতিত মানুষের পাশে সহযোগীতা নিয়ে দাঁড়াতে হবে। এ ব্যাপারে আমরা বাংলাদেশ সরকারকে অবিলম্বে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানাচ্ছি। ঈদের দিন ইসরাইল থেকে সরাসরি বিমান বাংলাদেশে কেন এলো এবং আবার কি নিয়ে চলে গেল সরকারকে তার জবাবদিহী করতে হবে। ইসরাইলের সাথে কোন প্রকার যোগাযোগ স্থাপন বাংলাদেশের মানুষ বরদাশত করবে না।


বিজ্ঞাপন

ফরিদপুরের মধুখালীর পঞ্চপল্লীতে মুসলিম দুই সহোদরকে পিটিয়ে যে হত্যা করা হয়েছে তার বিচার বিভাগীয় তদন্ত করতে হবে। খুনীদের মধ্যে প্রভাবশালীদের এখনো গ্রেফতার করেনি প্রশাসন। কোন অপশক্তির চাপে ফরিদপুরে মুসলিম সহোদর হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠ তদন্ত ও বিচারে টালবাহানা বরদাশত করা হবে না। প্রয়োজনে সারাদেশের প্রতিবাদী জনতা আবারো গর্জে উঠবে। এই ঘটনা পরবর্তি ফরিদপুরের সর্বস্তরের জনতার প্রতিবাদ মিছিলে প্রশাসনের হামলা ও গ্রেফতারের ঘটনায় আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাই। অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত প্রতিবাদী জনতাকে মুক্তি দিতে হবে, আহতদের সুচিকিৎসা দিতে হবে। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চক্রান্ত সফল হতে দেয়া যাবে না। উগ্র হিন্দুত্ববাদের ঠাঁই বাংলাদেশের মাটিতে হবে না। আজ বাদ জুমআ বায়তুল মোকাররম উত্তর চত্ত্বরে শুরু হওয়া খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ফিলিস্তিনের গাজায় গণহত্যা বন্ধ ও ফরিদপুরের পঞ্চপল্লীতে মুসলিম শ্রমিক সহোদর হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী শাখা আজ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ আয়োজন করে।


বিজ্ঞাপন

ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আজীজুল হকের সভাপতিত্বে ও মহানগরী উত্তর সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নায়েবে আমীর মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আবদুল জলিল। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিজানুর রহমান, কেন্দ্রীয় প্রচার ও তথ্য সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাহাব উদ্দিন আহমদ খন্দকার, ডা: আবদুর রাজ্জাক, সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, সহ-দপ্তর সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ফয়জুল ইসলাম, হাজী নুর হোসেন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, উত্তর সাধারণ সম্পাদক প্রিন্সিপাল মাওলানা আজিজুল হক, মাওলানা ফারুক আহমদ ভুঁইয়া, এনামুল হক হাসান, মুন্সী মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, শ্রমিক মজলিস সহ-সভাপতি আমীর আলী হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, ইসলামী ছাত্র মজলিস কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক কেএম ইমরান হোসাইন, ইসলামী যুব মজলিস কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক হাফেজ মুহাম্মদ সালমান প্রমুখ।

বিক্ষোভ মিছিলটি বায়তুল মোকাররম উত্তর গেইট থেকে শুরু হয়ে পল্টন মোড় দিয়ে বিজয়নগরে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *