মহান স্বাধীনতা দিবসে পানপট্টি ইউনিয়ন ছাত্রদলের আয়োজনে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে রচনা প্রতিযোগিতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস চর্চা” অনুষ্ঠিত 

Uncategorized গ্রাম বাংলার খবর জাতীয় বরিশাল বিশেষ প্রতিবেদন রাজনীতি শিক্ষাঙ্গন সংগঠন সংবাদ সারাদেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি (পটুয়াখালী)  : আজ বুধবার  ২৬ মার্চ  পানপট্টি ইউনিয়নে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে পানপট্টি ইউনিয়ন ছাত্রদলের আয়োজনে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে “শহীদ জিয়ার ঘোষণা, স্বাধীনতার সূচনা” শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা দুটি বিভাগে (জুনিয়র ও সিনিয়র) এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রিসাত রায়হানের উদ্যোগে ও পানপট্টি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম মৃধার সহযোগিতায় এই আয়োজন সম্পন্ন হয়।


বিজ্ঞাপন

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিহার রঞ্জন রায়। এছাড়াও ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কালাম হোসেন বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।


বিজ্ঞাপন

আয়োজক রিসাত রায়হান তার বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ তুলে বলেন, “বর্তমান স্বৈরাচারী সরকার মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাসকে কলুষিত করছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শুধু মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাই দেননি, যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে দেশের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনেও ভূমিকা রেখেছিলেন। আমাদের নতুন প্রজন্মকে এই সত্যটি জানানোই এই আয়োজনের উদ্দেশ্য।” তিনি আরও যোগ করেন, “জিয়াউর রহমান ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’খ্যাত বাংলাদেশকে সোনার দেশে পরিণত করার কারিগর ছিলেন। সরকার রাষ্ট্রীয় মেশিনারি ব্যবহার করে তার অবদান আড়াল করছে।”


বিজ্ঞাপন

রিসাত রায়হান জানান, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে শিক্ষার্থীদের নিয়ে নিয়মিত পাঠচক্র ও সেমিনারের আয়োজন করা হবে। “তরুণ প্রজন্মকে জানাতে আমরা নিরলস কাজ চালিয়ে যাব,” বলেছেন তিনি।

জুনিয়র ক্যাটাগরিতে (৬ষ্ঠ-৮ম শ্রেণি) ও সিনিয়র ক্যাটাগরিতে (৯ম-১০ম শ্রেণি) বিজয়ী শিক্ষার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়। প্রধান শিক্ষক নিহার রঞ্জন রায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশপ্রেম নিয়ে বড় হওয়াই তোমাদের প্রকৃত দায়িত্ব।”

স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে আগ্রহ সৃষ্টি করলেও রাজনৈতিক বক্তব্যের সমালোচনাও উঠেছে। তবে আয়োজকরা দাবি করেন, এটি ঐতিহাসিক সত্য প্রচারের নাগরিক উদ্যোগ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *