নিজস্ব প্রতিবেদক : বিজিবি সদস্যদের সাথে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় করতে বাঘাইহাট ব্যাটালিয়ন, সাজেক বিওপি এবং রাঙ্গামাটি সেক্টর সদর দপ্তর পরিদর্শন করলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.), এ খবর সংশ্লিষ্ট সুত্রের।

জানা গেছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বিজিবি সদস্যদের সাথে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় করতে বিজিবির চট্টগ্রাম রিজিয়নের আওতাধীন বাঘাইহাট ব্যাটালিয়ন সদর, মারিশ্যা ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ সাজেক বিওপি এবং রাঙ্গামাটি সেক্টর সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন।

এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিজিবি সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, চট্টগ্রাম রিজিয়ন কমান্ডার এবং সংশ্লিষ্ট সেক্টর ও ব্যাটালিয়নের কমান্ডারগণ উপস্থিত ছিলেন।

আজ বৃহস্পতিবার ৩ এপ্রিল, সকালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা চট্টগ্রাম রিজিয়নের আওতাধীন খাগড়াছড়ি সেক্টরের অধীনস্থ বাঘাইহাট ব্যাটালিয়ন (৫৪ বিজিবি) এর ব্যাটালিয়ন সদরে পৌঁছান। সেখানে তিনি বৃক্ষরোপন করেন এবং সেখানে বিজিবিতে কর্মরত সকল পর্যায়ের অফিসার ও অন্যান্য পদবীর সৈনিকদের সাথে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা ও কুশলাদি বিনিময় করেন। ঈদের ছুটি ভোগ না করে নিজ পরিবার-পরিজন থেকে দূরে থেকে দেশ মাতৃকার অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিয়োজিত সকল পর্যায়ের বিজিবি সদস্যদের প্রতি তিনি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। পরে মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বাঘাইহাটের স্থানীয় হেডম্যান ও কারবারীদের সাথে মতবিনিময় করেন।
এরপর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি’র মারিশ্যা ব্যাটালিয়ন (২৭ বিজিবি) এর অধীনস্থ সাজেক বিওপি পরিদর্শন করেন এবং বিওপিতে কর্মরত সৈনিকদের সাথে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা ও কুশলাদি বিনিময় করেন।
পরবর্তীতে দুপুরে মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বিজিবি’র রাঙ্গামাটি সেক্টর সদর দপ্তরে পৌঁছান এবং বৃক্ষরোপণ করেন। পরে রাঙ্গামাটি সেক্টরে কর্মরত সকল পর্যায়ের বিজিবি সদস্য ও স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনের সাথে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় শেষে মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন।