সাংবাদিক ছাঁটাই বন্ধের অনুরোধ তথ্যমন্ত্রীর

এইমাত্র জাতীয় ঢাকা রাজধানী রাজনীতি

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষের প্রতি সাংবাদিকদের অকারণে ছাঁটাই না করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। সোমবার সচিবালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ অনুরোধ জানান।


বিজ্ঞাপন

নবম ওয়েজ বোর্ডের সুপারিশ মন্ত্রিসভা বৈঠকে উঠতে যাচ্ছে, এরই মধ্যে স্বনামধন্য পত্রিকায় ছাঁটাই চলছে, এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি যেটি বলব, সাংবাদিকরা এ পেশায় না গিয়ে অন্য পেশায় গেলে কিন্তু সেই পেশা অনেক নিরাপদ ছিল। অন্যান্য নিরাপদ পেশায় আরও ভালো বেতনে যারা কাজ করছেন তাদের চেয়ে অনেক বেশি যোগ্যতা রাখেন সাংবাদিকরা। এ জন্য আমি অনুরোধ জানাবো, অকারণে যেন কাউকে এভাবে ছাঁটাই করা না হয়। সমস্ত পত্রিকা ও টেলিভিশন কর্তৃপক্ষের কাছে সেটাই আমার অনুরোধ থাকবে।


বিজ্ঞাপন

এ বার্তা দেওয়ার জন্য সম্পাদক কিংবা টেলিভিশন মালিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন কি না এ বিষয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, এ ব্যাপারে আমি ব্যক্তিগতভাবে অনেকের সঙ্গে ইতোমধ্যেই কথা বলেছি। আমি সাংবাদিক ইউনিয়নের সঙ্গে কথা বলবো। যাতে এ ব্যাপারে সমন্বিতভাবে আরও উদ্যোগ নেওয়া যায়, সে জন্য আমি কথা বলবো।

অনলাইন সংবাদপত্রগুলোর সচিবালয়ে প্রবেশের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড নবায়ন প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা অনলাইনগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনার জন্য দরখাস্ত আহ্বান করেছি। আমরা খুব সহসা…, যে অনলাইনগুলোর তদন্ত হয়েছে। আর কিছু অনলাইন আছে তদন্তের খুব একটা প্রয়োজন নেই। কারণ এগুলো প্রতিষ্ঠিত অনলাইন হিসাবে কাজ করছে। সেগুলোর নিবন্ধন আমরা খুব সহসা দিয়ে দেবো।

গত ১৫ জুলাই শেষ দিন পর্যন্ত নিবন্ধনের জন্য সাড়ে আট হাজার দরখাস্ত পড়েছিল বলে এরআগে জানিয়েছিলেন মন্ত্রী।

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বলেন, গণমাধ্যম সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করে। সেই দর্পণে দৃষ্টি নিপাত করে সরকারও অনেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে আবার অনেক সিদ্ধান্ত বদলায়। তাই সাংবাদিকরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। তবে মনে রাখতে হবে কোনো একটি সংবাদ সমাজে কী প্রভাবে ফেলতে পারে এটি আমাদের মাথায় রাখতে হবে।

হাছান মাহমুদ বলেন, আমাদের দেশে অনেক সময় খারাপ খবরগুলো প্রাধান্য পায়। অবশ্যই খারাপ সংবাদগুলো পরিবেশন করতে হবে, সমালোচনাও থাকতে হবে। একই সঙ্গে ভালো সংবাদগুলোও পরিবেশিত হওয়া প্রয়োজন।

মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান, তথ্য সচিব আব্দুল মালেক, অতিরিক্ত সচিব মো. নূরুল করিম, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুরথ কুমার সরকার, বিএসআরএফ-এর সভাপতি তপন বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদসহ কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *