নিজস্ব প্রতিবেদক : জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) ১৮তম সম্মেলনে যোগ দিতে আজারবাইজানে চার দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ বিমান স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় বাকু হায়দার আলিয়েভ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। বিমানটি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে।

শুক্রবার সকালে বাকু কংগ্রেস সেন্টারে শুরু হয় ন্যাম শীর্ষ সম্মেলন। ১২০টি উন্নয়নশীল দেশের জোট ন্যাম রাজনৈতিক সমন্বয় ও পরামর্শের জন্য জাতিসংঘের পর সবচেয়ে বড় ফোরাম হিসেবে পরিচিত।
ঠাণ্ডা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে গড়ে ওঠা ৫৮ বছরের পুরনো এ জোটের ১৮তম সম্মেলনে প্রায় ৪০টি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানরা অংশ নেন। এছাড়া পর্যবেক্ষক ১৭টি দেশ ও ১০ আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরাও সম্মেলনে আসেন।
ন্যাম সম্মেলনে ‘বান্দুং সম্মেলনে গৃহীত নীতিমালার আলোকে সমকালীন বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সম্মিলিত ও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ নিয়ে’ আলোচনায় বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা।
রোহিঙ্গা সংকটের চিত্র সম্মেলনে তুলে ধরে এর সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন চান তিনি।
সম্মেলনের ফাঁকে গত শুক্রবার ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি, আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট আবদেল কাদের বেনসালা এবং মালেশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের সঙ্গে বৈঠক করেন শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী ওইদিন রাতে সম্মেলনের অতিথিদের সঙ্গে আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভের দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেন।
পরদিন শনিবার সকালে বাকু কংগ্রেস সেন্টারে ন্যামের সাধারণ বিতর্কে অংশ নেন শেখ হাসিনা। দুপুরে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি এবং ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ আল মালকির সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী।
পরে বাকুতে দেশটির শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
গত ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে বাকুর উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা।