মো:রফিকুল ইসলাম,নড়াইলঃ
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পেড়লী ইউনিয়নের খড়রিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও সাবেক পেড়লী ইউনিয়ন আওয়ামী-লীগের যুগ্নসাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমান পেড়লী ইউনিয়ন আওয়ামী-লীগের সভাপতি প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন,খড়রিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো: আসলাম হোসেন (৫০)। জানা যায়,পেড়লী ইউনিয়নের খড়রিয়া গ্রামের মৃত-আইনাল হক মোল্যা’র ছেলে খড়রিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও ইউনিয়ন আওয়ামী-লীগ নেতা মো: আসলাম হোসেন (৫০) কে পরিকল্পিত ভাবে হত্যাচেষ্টা করে পেড়লী ইউনিয়নের খড়রিয়া গ্রামের সাহেব আলী মীরের ৩ ছেলে সাব্বির মীর (২৮),তারেক মীর (১৮) ও তানভীর মীর (১৮),মৃত-ছলেমান মিনা’র ছেলে মুন মিনা (৩০),এসাহাক মীনা (৪০),রেজাউল মীনা’র ছেলে সোহাগ মীনা (২২),মৃত-তরিকুল মীরের ছেলে ছনেট মীর (২৫) সহ আরো ১০ থেকে ১৫ জন সন্ত্রাসী এ হামলা করে। হামলার শিকার খড়রিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আসলাম হোসেন সাংবাদিকদের অভিযোগ করে বলেন,আমি গত (১৪ মার্চ) মঙ্গলবার রাত ৯-৩০ মিনিটের সময় খড়রিয়া পোলবাজার মধুর চায়ের দোকান থেকে চা খেয়ে নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওনা করলে খড়রিয়া পোলবাজারের উত্তর পাশে কামরুল মোল্যা’র বাড়ির সামনে পৌছালে সন্ত্রাসী’রা পরিকল্পিত ভাবে ওৎপেতে থেকে চাইনিচ কুরাল,লোহার রড,এসএস পাইপ,কোদালের আছাড়ি,
হাতুড়ি,বাসের লাঠিসহ দেশীয় অশ্রসস্র দিয়ে আমাকে হত্যা করার উদ্দেশে হামলা করে। এসময় আমার আন্তচিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসলে সন্ত্রাসী’রা আমাকে ফেলে পালিয়ে যায়। আমাকে গ্রুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে খড়রিয়া বাজারের স্থানীয় চিকিৎসকের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে নড়াইল সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে নড়াইল সদর হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে থাকা কর্তব্যরত চিকিৎসক বিশ্বজিত সাহা আমাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন এবং সরীরের বিভিন্ন এক্সেরে টেষ্ট দেন। নড়াইল সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক বিশ্বজিত সাহা বলেন,রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে,রোগীর সরিরে কোপের চিন্হ রয়েছে। এক্সেরে করতে দেয়া হয়েছে এক্সেরের রিপোর্ট দেখে বোঝা যাবে সরীরের হাড় ভেঙ্গেছে কি না বলে জানান।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে কাউকে পাওয়া যায়নি। পেড়লী ইউনিয়নের আইসি মো: খায়রুল আলম ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন,খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি এবং আহত স্কুল শিক্ষককে খড়রিয়া বাজারে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে নড়াইল সদর হাসপাতালে নিয়ে যায় শিক্ষকের স্বজন’রা। শিক্ষকের উপর হামলার ঘটনায় জড়িত’রা পলাতক রয়েছে এবং হামলার সাথে জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে। কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ তাসমীম আলম বলেন,খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক ভাবে পুলিশ অভিযান চালিয়েছে,হামলাকারী’রা পলাতক রয়েছে,লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
