নিজস্ব প্রতিনিধি : সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ডিএনসি চট্টগ্রাম গোয়েন্দা’র অভিযানে লোহাগাড়ায় ৩,৯০০ পিস ইয়াবা সহ এক রোহিঙ্গা নাগরিক গ্রেফতার হয়েছে এবং গ্রেফতার কৃত বেক্তির নামে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে, এ খবর সংশ্লিষ্ট সুত্রের।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়, চট্টগ্রাম কর্তৃক ৩৯০০ (তিন হাজার নয়শত ) পিস ইয়াবা সহ একজন মিয়ানমারের রোহিঙ্গা শরনার্থীকে ইয়াবা মাদক পাচারকালে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ হাফিজুর রহমান (২২) পিতা- মৃত আবদুল হামিদ, মাতা- শামসুন নাহার, সাং- কুতুপালং রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্প-৭, ব্লক- এ-,কক্ষ নং-৬, হেড মাঝি- জাফর আহম্মদ, সাইড মাঝি- জহির আহম্মেদ, থানা- উখিয়া, জেলা- কক্সবাজার।
উক্ত অভিযান কালে গোয়েন্দার টিমের সদস্যগণ বেলা ১১ টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রাম সিএমপি থানাধীন কাজীর দেউরী এলাকায় রোহিঙ্গা শরনার্থী আসামি মোঃ হাফিজুর রহমান (২২) কে আটক করে। অতঃপর তার দেহ তল্লাশি করে ৩,৯০০ (তিন হাজার নয়শত) পিস মিথাইল এ্যামফিটামিন মিশ্রিত মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে এবং উক্ত আসামীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে।
উল্লেখ্য যে, আসামীকে ইতিপূর্বে ১৪/১০/২০২০ সালে সিএমপি বাকলিয়া নতুন ব্রীজএলাকায় ডিএনসি চট্টগ্রাম কার্যালয় কর্তৃক ২,৫০০ পিস ইয়াবা গ্রেফতার করা হয় [বাকলিয়া থানা- ৪১(১০ )২০২০] এবং সে মামলায় আসামি ১১ মাস জেল হাজতে ছিলো। আসামি জামিন পেয়ে একাধিকবার ইয়াবা পাচার করেছে বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করে।
উক্ত আসামী ইয়াবা গুলো কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত হতে ইয়াবা সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম শহরে নিয়ে যাচ্ছিল।
আসামীর বিরুদ্ধে ইয়াবা সংরক্ষণ ও ধারনের অপরাধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ সংশ্লিষ্ট ধারায় চট্টগ্রাম মহানগরের কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।