*জীবনের গল্পের ডাউনলোড* নাজমা লাইজু

Uncategorized অন্যান্য



আমি তুমি আমরা সবাই মিলে আন্দোলন। কে কার বিরুদ্ধে যাওয়া যায়। ঘুম থেকে উঠে পেপার পড়ার অভ্যাস টা আমার ভীষণ প্রিয় বন্ধু, আমার ভালোবাসার আয়োজনে সেরার সেরা,চলার পথের পথ এগিয়ে দেওয়া। খুব আদরে আগলে রাখা, কড়া শাসনে সৃষ্টি করা। ভালোবাসার শেষ অধ্যায় টা তার জন্য নিরবে নিভৃতে যতনে তুলে রাখা। আমার স্বপ্নের জায়গায় পৌঁছাতে সব সময় পাশে থাকা। সেই মানুষটি আমার প্রিয় বাবা। তার হাত ধরে আমার প্রথম হাঁটতে শেখা । খবরের কাগজে লেখা পড়তে গিয়ে আমি বাবাকে প্রশ্ন করতাম পৃথিবীর সব এখান থেকে জানা যায়? আব্বু আমার একটা গল্প শুনিয়েছিলো ।আজ ভীষণ মনে পড়লো খবরের কাগজ হাতে নিতেই।

আমি কোথাও কিছু দিন যাওয়া আসা করতে শুরু করলাম। আমার এই প্রিয় মানুষটি না ফেরার দেশে চলে যাওয়ার পর। আমার মোন ভালো রাখতে। যে মানুষটি আমাকে নিয়ে গিয়েছিলেন , সে খুব ভালো এক জন মানুষ। বলতে পারেন আমার পছন্দের একজন মানুষ। আমি অনেক কিছু উপলব্ধি করলাম। অনেক কিছু শিখতে পারলাম। কিছু মানুষের সাথে পরিচিত হলাম। আরো কিছু প্রিয় মানুষের সাথে দেখা হলো । নতুন নতুন অনেক অভিজ্ঞতা হলো। খাবার খেয়েছি অনেক দিন। প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বরতো কেউ আমাকে ১০০০টাকা দিয়ে ছিলো। দুইটা ৫০০ শত টাকার নোট। আসলে আমার কাছে অনেক মুল্যবান ঐসময় গুলো।কারন একটা, আমি রীনি ঐ জায়গাটার কাছে ,মানুষটির কাছে। আমি যখন ভাবতাম কখনো দেখা হলে সফলতার গল্প শুনবো।কাছ থেকে দেখা টা সৌভাগ্যের।
সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গদের একজন।বেশকিছু দিন ধরেই যাওয়া আসা করেছি। তবে আরো অনেক কিছু পেয়েছি সেগুলোর কথা বলতে চাইছি না।

যে কথা টা না বললে আর হয়তো বলা হবে না তাই বলা।
যে মানুষটি আমাকে নিয়ে গিয়েছিলেন।আসলে ঐ মানুষটিকে কখনোই বলা হয়ে উঠেনি। আপনাকে ধন্যবাদ। আপনি আমাকে না নিয়ে গেলে আমার খুব প্রিয় মানুষের সাথে দেখা হতো না। হয়তো হতো কখনো। আল্লাহর হুকুম ছাড়া গাছের পাতা ও নড়েনা মুসলিম হিসেবে আমরা মানি। আসলে আমি মানুষ হিসেবে দেখি নিজেকে, জাতীগত ভেদাভেদ না করতে বাবার কাছ থেকেই শিখেছিলাম। আমি অনেক বছর ধরে আমার প্রিয় মানুষ টির গল্প শুনেছি। দেখেছি ও, এতো কাছ থেকে দেখা হয়ে উঠেনি। যে দিন প্রথম দেখলাম খুব ছালাম করতে মন চাইছিল। সু্যোগ টা হাত ছাড়া করলাম না। ছালাম করলাম। আমার মাথায় হাত দিয়ে দোয়া করলেন। খুব ভালো লাগলো।কারন টা আজ বলতে ইচ্ছা করছে। এই শ্রদ্ধার মানুষটি আমার সভলতার কাজের অনুপ্রেরণা ছিলেন। অনেক মানুষের মধ্যে একজন। অনেক ছোট আমি কেবলই কাজে হাত বাড়িয়েছি, তখন থেকেই আমি বড় মানুষের সফলতার গল্প শুনতাম। আমি যখন কাজ করতাম সফলতার গল্প শুনতাম অনেকের। আমার এই শ্রদ্ধার ও ভালো বাসার মানুষটির টানে আমি আমার কাজ ফেলে অনেক সময় ছুটে গেছি। কথা গুলো এতোই মূল্যবান মনোযোগ দিয়ে শুনেছি। কিছু তো পেয়েছি।আজ আমি গল্প হয়েছি নিজেই। এই শ্রদ্ধার ভালোবাসার মানুষটির কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাই।নাম টা আর বললাম না। আপনাকে আল্লাহ ভালো রাখুন।আপনি আমার অনেক উপকার করেছেন।

আমি অতি সাধারণ একজন মানুষ। মেয়ে হয়ে জন্ম নিয়েছি দোষ তো থাকবেই। তবে কেউ খারাপ, আবার কেউ ভালো বলে। আবার কেউ কেউ এতো খারাপ বলে যে আমার মতো খারাপ মেয়ে আর স্বাধীন বাংলার একটা ও নেই। আবার কারো কাছে আমি এতো প্রিয় যে আমাকে জাতীয় ভাবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। সমাজ টা এমনি। তবে হাল ছেড়ে দেওয়া যাবে না।কারন জীবন টা নিজের, কথা টা অন্যের। যোগ্যতা অর্জন করতে অনেক কষ্ট।অন্যের কথায় কিম্বা গীবতে নিজের কাজ বন্ধ করা বোকামি ছাড়া কিছুই না। আমি নিন্দুকের খুব ভালো জানি। কেনো জানেন? এরাই চলার পথকে আরো সুন্দর করে দেয়। তাই এদের কে কখনও অভিশাপ দিও না। বরং শিখে নাও অনেক কিছু।

জীবন টা গল্পের একটা অংশ। গল্প জীবন না। প্রতিটা মানুষের জীবনে কিছু না কিছু গল্প আছে। চলার পথে অনেক সময় অনেক কিছু না ভাবলেও ঘোটে যায়। আমার লেখার একটা অংশ হলো সেই মানুষটি।সে নিজেও জানে না আমাকে তার গীবতের কিম্বা গল্পের মধ্য মনি বানাতে যেয়ে অনেক বড় উপকার করে ফেলেছেন। তাই আবার ও সব নিন্দুকের ধন্যবাদ জানাই।
আমার মতো করে ভাবতে শেখেন সমাজে কোলাহল একটু হলেও কম হবে। যদি তোমার জন্য কারো সমস্যা হয় তাহলে সেখানে না যাওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। নতুন জায়গা জন্ম হয়এক জায়গা বন্ধ হলে।

হয়তো তোমার জন্য অপেক্ষা করছে আরো ভালো কিছু। সততা নিষ্ঠা আর পরিশ্রম ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটায়। কাজের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভক্তি বাড়িয়ে দিলে একদিন তোমার সফলতার আসবে। জীবনের শেষ পাতার গল্পটা ডাউনলোড হয়।ভেবো না আল্লাহ বিচার দেরিতে হলেও সঠিক বিচারক। শুধু অপেক্ষা মাত্র।


বিজ্ঞাপন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *