শাকিল আহমেদ,নড়াইল ঃ
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে নড়াইল জেলার সদর উপজেলার ইউনিয়ন স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে সার্বক্ষণিক জরুরী সেবা কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।গতকাল ৩ এপ্রিল হবখালী,শাহাবাদ,মুলিয়াসহ কয়েকটি কেন্দ্র পরিদর্শন করে দেখা যায় কেন্দ্রগুলোতে উপসহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ও পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকাগণ উপস্থিত থেকে জরুরী মা ও শিশুস্বাস্থ্য সেবা ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা প্রদান করছেন।এসময় উপস্থিত সেবা গ্রহীতাগণ ঈদের এই ছুটিতেও সেবা কার্যক্রম চলমান থাকায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগকে ধন্যবাদ জানান।উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও মেডিকেল অফিসার (এমসিএইচ-এফপি) এর সাথে কথা বলে জানা যায়,উপজেলার দশটি কেন্দ্রে মা ও শিশু স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সেবা চালু রাখা হয়েছে।এছাড়াও মেডিকেল অফিসার (ক্লিনিক) এর তত্ত্বাবধানে নড়াইল মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র(ম্যাটারনিটি হাসপাতাল) সার্বক্ষণিকভাবে তাদের সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।নড়াইলে মা ও শিশু কেন্দ্রের বর্হিবিভাগে ছুটির দিনেও চলছে স্বাস্থ্যসেবা সদর উপজেলার বাঁশগ্রামের তাসলিমা খাতুন বলেন,প্রচন্ড অসুস্থ হওয়ায় নড়াইল মা ও শিশু কেন্দ্রে এসেছি ছুটির দিনে বর্হিবিভাগে ডাক্তার থাকবে আশা করিনি কিন্ত ডাক্তার দেখাতে পেরে আমরা খুব খুশি হয়েছি। সীমাখালী গ্রামের রজিনা জানান, আমার তিন মাসের ছেলে আয়ানকে দেখাতে এখানে এসেছি এবং ডাক্তারের পরামর্শ পেয়ে দুচিন্তা মুক্ত হয়ে স্বস্তি পেয়েছি। নড়াইল মা ও শিশু কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডাঃ নুসরাত জাহান বলেন, ছুটির দিনেও মা ও শিশু কেন্দ্রের বর্হিবিভাগ বন্ধ থাকলেও আগত রোগীদের কথা চিন্তা করে ছুটির দিনেও স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছি। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জানান,”যেহেতু আমাদের কেন্দ্রগুলোতে স্বাভাবিক প্রসব সেবা(এনভিডি), গর্ভকালীন সেবা(এএনসি),প্রসব পরবর্তী সেবা(পিএনসি) ও পরিবার পরিকল্পনার স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতির সেবা প্রদান করা হয়, তাই আমরা সরকারের নির্দেশনা অনুসারে উপপরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা, নড়াইলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে জরুরী পরিষেবার অংশ হিসাবে কেন্দ্রগুলো খোলা রেখেছি।” তিনি আরো বলেন, এই কেন্দ্রগুলো থেকে সকল সেবা বিনামূল্যে দেওয়া হয়। পাশাপাশি পরিবার পরিকল্পনার সকল দীর্ঘ ও স্থায়ী পদ্ধতির সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে, সরকার নির্ধারিত হারে, ক্ষেত্রমত যাতায়াত/ক্ষতিপূরণ ও ফলোআপ ভাতা দেওয়া হয়ে থাকে।
