বিশেষ প্রতিনিধি : প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অধীনে এফএমডি ও পিপিআর প্রকল্পের আওতায় ১০০ কোটি টাকার এফএমডি ভ্যাকসিন কেনার দরপত্রে ব্যপক অনিয়ম করে ২১ কোটি টাকা বেশী মূল্যে এফএমডি ভ্যাকসিন কেনার সুপারিশ করার অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের পিডি অফিসে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের একটি টিম। গতকাল এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জানাগেছে,দরপত্র মুল্যায়ন কমিটির সভাপতি ও অধিদপ্তরের পরিচালক প্রশাসন ডা: মো: ভয়েজার রহমানকে জিজ্ঞেসাবাদ করেছেন দুদকের টিম।

বিষয়টি নিয়ে পত্র পত্রিকায় ব্যাপক লেখালেখি হলেও ভারপ্রাপ্ত ডিজি ড. মো: আবু সুফিয়ান মন্ত্রণালয়ের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য অভিযোগ সমুহ আমলে না নিয়ে ২১ কোটি টাকা বেশী মূল্যে ভ্যাকসিন কেনার অনুমোদন প্রদানের জন্য সুপারিশ করে মন্ত্রনালয়ে প্রস্তাব প্রেরন করেন।

তাদপ্রেক্খিতে বিষয়টা দুদুকের গোচরীভুত হলে দুদুক কতৃপক্ষ ভ্যাকসিন ক্রয়ের কাগজপত্র জব্দ করার জন্য গত ২৪/৩/২৫ তারিখে অধিদপ্তরে ৩ সদস্যের একটি টীম প্রেরণ করে। উক্ত টীম পিডিকে ও ডিজিকে অফিসে না পেয়ে পরিচালক প্রশাসনের রুমে প্রবেশ করে এবং অনিয়ম সংক্রান্ত বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
তখন পরিচালক (প্রশাসন) কাগজপত্র সব পিডির নিকট বলে কৌশলে এড়িয়ে যান এবং পিডি অফিসে আসলে দেয়া হবে বলে সময় চেয়ে নেন।
উল্লেখ্য যে ওএমসি নামক প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে বেশী মূল্যে আর্জেন্টিনার বাংলাদেশে নন রেজিস্টার ভ্যাকসিন ক্রয়ের জন্য জনৈক সমন্বয়ক তাবাসসুমের নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য সর্বনিম্ন দরদাতার দরপত্রটি কৌশলে নন রেসপনসিভ করে ২১ কোটি টাকার ব্যবধানে কাজ দেয়ার জন্য সুপারিশ করে মন্ত্রনালয়ের অনুমোদনের জন্য পাঠান হয়েছে।
দুদুক সুত্রে জানা যায়,আলোচ্য প্রকল্পে কেনা কাটায় ভয়াবহ দূনীতি হয়েছে বলে তারা তথ্য প্রমাণ পেয়েছেন। এ বিষয়ে তারা দ্রত বিধিগত পদক্ষেপ নেবেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।
ফলে টেন্ডার দুর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগে ফেঁসে যেতে পারেন ভারপ্রাপ্ত ডিজি, প্রকল্প পরিচালক ও সমন্বয়ক তাবাসসুম। তাদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলাও হতে পারে।