নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি’র টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) কর্তৃক পরিচালিত অভিযানে ২,৭০,০০,০০০/- (দুই কোটি সত্তর লক্ষ) টাকা মূল্যমানের ৯০,০০০ (নব্বই হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
বিজিবি’র টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) বুধবার ১২ জানুয়ারি, রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, অধীনস্থ জীম্বংখালী বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম-১৬ হতে আনুমানিক ১০০ গজ দক্ষিণে জীম্বংখালী গাবদাসী এলাকা দিয়ে মিয়ানমার হতে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে পাচার হতে পারে।
![](https://ajkerdesh.com/wp-content/uploads/2024/05/WhatsApp-Image-2024-05-31-at-21.07.07_c7f123fd.jpg)
উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে জীম্বংখালী বিওপি হতে বিশেষ টহলদল দ্রুত বর্ণিত এলাকায় গমন করতঃ নাফ নদের তীরে জঙ্গলের আড় নিয়ে কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করে।
আনুমানিক ৬ টা ৫০ মিনিটে উক্ত এলাকা দিয়ে ১ জন চোরাকারবারীকে একটি বস্তা কাঁধে নিয়ে নাফ নদী পার হয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আসতে দেখে।
টহলদল উক্ত চোরাকারবারীকে দেখা মাত্রই তাকে চ্যালেঞ্জ করে খুব দ্রুত তার দিকে অগ্রসর হয়। দূর হতে বিজিবি টহলদলের উপস্থিতি অনুধাবন করা মাত্রই বহনকৃত বস্তাটি ফেলে দিয়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে টহলদল বর্ণিত স্থানে তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করে চোরাকারবারীর ফেলে যাওয়া ১টি বস্তা উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত বস্তার ভিতর হতে ২,৭০,০০,০০০ (দুই কোটি সত্তর লক্ষ) টাকা মূল্যমানের ৯০,০০০ (নব্বই হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করতে সক্ষম হয়।
ইয়াবা কারবারীকে আটকের নিমিত্তে বর্ণিত এলাকা ও পার্শ্ববর্তী স্থানে পরবর্তী ৮ টা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করা হলেও কোন চোরাকারবারী কিংবা তার সহযোগীকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
উক্ত স্থানে অন্য কোন অসামরিক ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি বিধায় চোরাকারবারীকে সনাক্ত করাও সম্ভব হয়নি। তবে, তাকে সনাক্ত করার জন্য অত্র ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।