নিজস্ব প্রতিবেদক : ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ ইউসুফ এর উদ্যোগে চমকপ্রদ ও ফলপ্রসূ শুদ্ধাচার সভার আয়োজন করা হয়েছে, তার আহ্বানে একটি সফল শুদ্ধাচার সভা সম্পন্ন হয়েছে, এ খবর সংশ্লিষ্ট সুত্রের।
জানা গেছে, গতকাল সোমবার ২০ মার্চ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে মহাপরিচালকের উদ্দোগে ঔষধের নকল ভেজাল ও আমদানি নিষিদ্ধ ঔষধের মজুদ,বিক্রি এবং ফুড সাপ্লিমেন্ট তৈরি ও বাজারজাত না করার জন্য বিসিডিএস কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এক আলোচনা ও শুদ্ধাচার সভার আয়োজন করেন। উক্ত আলোচনা সভা ও শুদ্ধাচার সভায় বিসিডিএস এর পরিচালক কাজী রফিকুল ইসলাম তার বক্তব্যের একপর্যায়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কে অনুরোধ করেন যে,আগামী ৩১শে মার্চের পরিবর্তে আগামী ২০শে মে, পর্যন্ত লাইসেন্স বিহীন ফার্মেসিকে নতুন লাইসেন্স গ্রহণ করার সুযোগ দিয়ে চূড়ান্তভাবে সময় বেঁধে দেয়া হোক।
আগামী ২১শে মে ২০২৩ থেকে সমগ্র বাংলাদেশে লাইসেন্স বিহীন ফার্মেসি উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে।
এছাড়াও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ কোম্পানি কর্তৃক পরিবর্তন এবং কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে অনলাইনে অথবা অভিযোগ বক্সে লিখিত অভিযোগ জমা দেয়ার জন্য নির্দেশ দেন। মহাপরিচালক আরও বলেন যে, অনলাইনে ওষুধ সাপ্লাই সম্পুর্ন অবৈধ।
নকল-ভেজাল, ফুড সাপ্লিমেন্ট, আন রেজিস্ট্রার্ড ওষুধ এবং অবৈধ বিদেশি ওষুধের বিক্রি ও মজুত বন্ধের অভিযান কঠোর ভাবে পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
ওষুধ ব্যবসায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে শুদ্ধাচার ও শুদ্ধি-অভিযান পরিচালনা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরও বেগবান , আরও কঠোর ভাবে পরিচালনার নির্দেশ দেন মহাপরিচালক । গুরুতর অভিযোগ পেলে র্যাব নিয়ে অভিযান চালানোরও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
গতকাল সোমবার ২০ মার্চে অনুষ্ঠিত সভায় ঔষধ প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা এবং ঢাকা মহানগরের প্রতিটি থানার প্রায় শতাধিক কেমিস্ট নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ কেমিস্ট ও ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
বিস্তারিত বিষয়ের উপর ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক একটি গন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় দৈনিক ইত্তেফাক ও বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায়। শুদ্ধাচার ও শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিষয়ে পরবর্তী সভা আগামী তিন মাস পর অনুষ্ঠিত হবে।
